ট্রাম্প: “ভারত ও চিন দু’দেশের মানুষকেই ভালোবাসি, চাই শান্তি বজায় থাকুক”

নিজস্ব সংবাদদাতা খবর ২৪: ভারত (India) ও চিন (China) দু’দেশের জনগণের মধ্যে শান্তি বজায় রাখতে যথাসাধ্য চেষ্টা করতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump), একথাই জানিয়েছেন মার্কিন মুখপাত্র কালেলি ম্যাকেনি। এর আগে দেখা গেছে, ভারত-চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় যখন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল তখন ট্রাম্প ভারতের সমর্থনেই কথা বলেছিলেন। “তিনি (ট্রাম্প) বলেছেন আমি ভারতের মানুষকে ভালবাসি এবং আমি চিনের মানুষকেও ভালবাসি। তাই জনগণের জন্য দু’দেশের মধ্যে শান্তি বজায় রাখতে যথাসাধ্য চেষ্টা করতে চাই”, সাংবাদিকদের সামনে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ইচ্ছার কথা তুলে ধরেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব কালেলি ম্যাকেনি। সম্প্রতি পূর্ব লাদাখে ভারত-চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর দু’দেশের মধ্যে যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে তা নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও এই বিষয়ে সাম্প্রতিক অতীতে বরাবরই ভারতের পক্ষ নিয়েই কথা বলেছেন তিনি।সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ল্যারি কুডলো ভারতকে আমেরিকার মহান মিত্র হিসাবে বর্ণনা করেন ও বলেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একে অপরের দুর্দান্ত বন্ধু।বুধবার, মার্কিন সচিব মাইক পম্পেও বলেন যে ভারত ও আমেরিকার মধ্য়ে দুর্দান্ত পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং অংশীদারিত্ব রয়েছে।”ভারত আমাদের একটি দুর্দান্ত অংশীদার হয়েছে … তারা আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারও বটে। ওই দেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গেও আমার খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়সময়ই বিস্তারিত আলোচনা করি। এমনকী সীমান্তে চিনের সঙ্গে তাদের যে ঝামেলা ছিল সেই বিষয়েও আমরা কথা বলেছি। যেভাবে সীমান্তে চিনা টেলিযোগযোগ পরিকাঠামো তৈরি হচ্ছে সেবিষয়ে যে আশঙ্কা তৈরি হতে পারে আমরা তা নিয়েও আলোচনা করেছি”, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন পম্পেও।ইউরোপে সফরকালে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ব্রায়ন সাংবাদিকদের বলেন যে, ভারতের সঙ্গে চিন অত্যন্ত আগ্রাসী আচরণ করছে।ওব্রায়ান বলেন যে, ভারত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বন্ধু দেশ। সেদেশের প্রধানমন্ত্রী “মোদি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে” বলেও উল্লেখ করেন তিনি।”আসলে, কোভিড-১৯ মহামারী রূপে আঘাত হানার আগে আমি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিদেশ সফর করেছি, ভারতে এসে সেখানকার জনগণের থেকে আমরা প্রচুর অভ্যর্থনা পাই। আর তাছাড়া ওদের সঙ্গে আমাদের অনেক মিলও রয়েছে, আমরাও ইংরাজি বলি, আমরাও গণতান্ত্রিক। ভারতের সঙ্গে তাই আমাদের ক্রমশই ভালো ও দৃঢ় সম্পর্ক তৈরি হয়েছে”, বলেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ব্রায়ন।